
স্টাফ রিপোর্টার:
কুয়াশাতে কিছু দেখা যায় না, হামার এতি (এদিক) দিন দিন ঠান্ডা বাড়োছে। জাড়োত (ঠান্ডায়) হাত-পা শিক নাগছে। কিন্তু কি করমেন, হামার ঠান্ডা গরম নাই, কৃষক মানুষ, কাজকাম করে খাওয়া নাগে (লাগে)।
এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রানীপুকুর এলাকার কৃষক আয়নাল মিয়া। এ সময় চারদিক ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল।
দেশের উত্তরের জেলা রংপুরে ঘন কুয়াশার দাপট এবং হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। গত কয়েক দিনের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কেটে গেলেও কুয়াশার কারণে অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত। শীত জেঁকে বসায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।
দেখা যায়, চারদিক কুয়াশায় ঢেকে আছে। উত্তরের হিমেল বাতাসে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। গ্রামের বেশির ভাগ পথেই নেমে এসেছে সুনসান নীরবতা। প্রয়োজনের তাগিদে গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে বের হয়েছেন সাধারণ মানুষ। কেউ কেউ ফসলি জমিতে হালচাষ ও বীজ বপনের কাজ করছেন। আবার কেউ কেউ খেত থেকে সবজি তুলে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন বাজারে।
অটোচালক সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ভোরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর মনে হচ্ছে ঠান্ডায় হাত-পা বরফ হয়ে গেছে। রাস্তায় এতো কুয়াশা, দশ হাত দূরে দেখা যায় না।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সুত্র জানায়, আকাশে হালকা মেঘ ও ঘন কুয়াশার কারণে ভূপৃষ্ঠে সূর্যের তীব্রতা ছড়াতে পারছে না। ফলে দিনের বেলাতেও শীত অনুভূত হচ্ছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
এমকন্ঠ/এস