1. mithapukur24barta@gmail.com : Mithapukur : Mithapukur
  2. admin@mithapukurerkantho.com : মিঠাপুকুরের কন্ঠ :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

অসহায় মতিয়ারের বন্ধ দোকান সচল করে দিলেন মানবতার ফাউন্ডেশন

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ বার পাঠ করা হয়েছে
নতুন মালামাল ও সরঞ্জাম পেয়ে দোকান করছেন মতিয়ার রহমান।

স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রানীপুকুর ইউনিয়নের অসহায় মতিয়ারের বন্ধ দোকান সচল করে দেয়া হয়েছে। সন্তানদের অবহেলা আর শারীরিক অসুস্থতাকে জয় করে ছোট্ট একটি মুদি দোকান করতেন বৃদ্ধ মতিয়ার রহমান। দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে থাকা তার ছোট ঝুপড়ি দোকানটি পুনরায় সচল করে দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জয় হোক মানবতার ফাউন্ডেশন’।

জানা গেছে, উপজেলার রানীপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় একটি ছোট ঝুপড়ি দোকানে চা ও আনুষঙ্গিক জিনিস বিক্রি করতেন মতিয়ার রহমান। শারীরিকভাবে অসুস্থ মতিয়ারের একটি হাত অচল। এর ওপর সন্তানরা তার কোনো খোঁজ-খবর রাখেন না। বৃদ্ধ বয়সে স্ত্রীকে নিয়ে নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছিল তার। পুঁজির অভাবে দোকানে পর্যাপ্ত মালামাল না থাকায় দিনে মাত্র ৫-৬ জন ক্রেতা আসত, যা দিয়ে দুই বেলার আহার জোটানোই ছিল অসম্ভব।

মতিয়ার রহমান অচল দোকান সচল করার জন্য মালামাল সরবরাহ করার সময় যারা ছিলেন____

মতিয়ার রহমানের এই অসহায়ত্বের খবর জানতে পেরে এগিয়ে আসে ‘জয় হোক মানবতার ফাউন্ডেশন’। সংগঠনটি তাকে স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় তার অচল দোকানটি সচল করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল মালামাল ও আসবাবপত্র প্রদান করা হয়।

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মতিয়ার রহমানকে একটি গ্যাস সিলিন্ডার, ডাবল বার্নার গ্যাস চুলা, দুটি কেটলি, চায়ের কাপ এবং দোকান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মুদি মালামাল তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া এই বৃদ্ধ দম্পতি যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারেন, সেজন্য তাদের একটি নতুন খাট উপহার দেওয়া হয়েছে।

নতুন মালামাল ও সরঞ্জাম পেয়ে আবেগপ্লুত হয়ে পড়েন মতিয়ার রহমান। তিনি বলেন, “শারীরিক অসুস্থতা আর অভাবের কারণে দোকানটা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি। আজ এই বাবাদের উছিলায় আমি আবার নতুন করে বাঁচার পথ পেলাম।”

‘জয় হোক মানবতার ফাউন্ডেশন’-এর পরিচালক মোঃ মামুন মিয়া জানান, “আমরা কেবল কিছু মালামাল দেইনি, বরং একজন মানুষকে সম্মানের সাথে বাঁচার পথ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সহ পরিচালক মাইনুল ইসলাম বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও আমাদের এই সেবামূলক কাজ অব্যাহত থাকবে।” ​মানবিক এই উদ্যোগটি স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

এমকন্ঠ/এস

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © mithapukurerkantho.com