মিঠাপুকুরে জ্বালানি সংকটে অধিকাংশ পাম্প বন্ধ!

অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন রোববার (২২ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কারণ কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তেল নিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন গ্রাহকরা। পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যে কোনো সময় সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সংগঠনটির দাবি, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও একই পরিমাণ অকটেন মজুত ছিল। তাদের আরেকটি পাম্পে ছিল প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি। স্বাভাবিক হিসেবে এই মজুত কয়েক দিন বিক্রি করার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়।

এদিকে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে অধিকাংশ পাম্প। সীমিত পরিসরে চালু থাকা ২-৩ টি পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে দেখা গেছে সেবা প্রার্থীদের।

সোমবার (২৩ মার্চ) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-রংপুর হাইওয়ে সড়কের পাশে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল মিলছে না। ২-১টি পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও অধিকাংশ পাম্প জ্বালানি সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে।

মিঠাপুকুর উপজেলার জায়গীরহাট এলাকার সঞ্চিতা ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা নাছরুল ইসলাম বলেন, ঈদে পরিবার নিয়ে শশুরবাড়ি যাবো কিন্তু ৩-৪টি পাম্প ঘুরেও তেল পাচ্ছিনা। এখানে এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ২০০ টাকার তেল নিলাম। আমরা সাধারণ মানুষ তেল নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

বৈরাগীগঞ্জ এলাকার শাহ আমানত ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা এক পুলিশ সদস্য বলেন, পলাশবাড়ি থেকে রংপুর যাবো। চারটি পাম্পে ঘুরে তেল পাইনি। এখানে এসে তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। আমার দরকার ৬০০ টাকার তেল কিন্তু ৩০০ টাকার।

মেসার্স সঞ্চিতা ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়কর্মী টিটুল জানান, ২০০ থেকে ৩০০ টাকার তেল বিক্রি করছি। আমরা চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় কম কম করে সবাইকে তেল দিতে হচ্ছে। অনেকে এসে রাগারাগি করছে কিন্তু আমাদের কিছুই করার নাই। তেলের অভাবে অনেক পাম্প বন্ধ।

এমকন্ঠ/এস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *